Skip to main content

বিশ্বের খবর

ডোনাল্ড ট্রাম্প নেতৃত্ব দেওয়ার উপযুক্ত নন।

প্রাক্তন রিপাবলিকান কংগ্রেসওম্যান লিজ চেনি এবং ডেমোক্র্যাটিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কমলা হ্যারিস বলেছেন, প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য উপযুক্ত নন, বৃহস্পতিবার তারা একসঙ্গে প্রচারণা চালানোর সময় ভোটারদের দেশকে দলের উপরে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।


যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন রাজ্যে এক র্যালিতে  এই আহ্বান জানান। 

লিজ চেনি এবং তার বাবা ডিক চেনি, ডিক চেনি জর্জ ডব্লিউ বুশের অধীনে ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং ইরাক যুদ্ধে তার খারাপ প্রতিরক্ষার জন্য ডেমোক্র্যাটদের দ্বারা সমালোচনার স্বীকার হন। এই দুইজন কট্টর রক্ষণশীল এবং বিশিষ্ট রিপাবলিকান আগামী ৫ই নভেম্বরে নির্বাচনে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হ্যারিসকে সমর্থন করেন।
তারা উভয়ই রিপাবলিকান মনোনীত প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ট্রাম্পের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ট্রাম্প ২০২০ সালের নির্বাচনে পরাজয় মেনে নিতে অস্বীকৃতি এবং ৬ই জানুয়ারী, ২০২১ সালের মার্কিন ক্যাপিটল আক্রমণে তার ভূমিকাকে প্রার্থী হিসেবে অযোগ্য ঘোষণা করে।
লিজ চেনি আরো বলেন:
"ডোনাল্ড ট্রাম্প স্প্রে ট্যানিং শুরু করার আগেও আমি একজন রিপাবলিকান ছিলাম। আমি গর্বিতভাবে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের জন্য আমার ভোট দিচ্ছি,"
তিনি বলেন,এটিই একজন ডেমোক্র্যাটের জন্য আমার প্রথম ভোট।
চেনির মন্তব্য কমলা হ্যারিসকে সাহায্য করতে পারে,কারণ তার এই মন্তব্যে রিপাবলিকান এবং মধ্যপন্থী ভোটারদের কাছে হ্যারিস এর গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে।
নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য, হ্যারিসকে তার অনুকূল রাজ্য না হারিয়ে রিপাবলিকান এবং স্বতন্ত্রদের বিরুদ্ধে জয়লাভ করতে হবে,বিশেষ করে উইসকনসিনের মতো রাজ্যে যা রিপাবলিকান বা ডেমোক্র্যাটের দিকে ঝুঁকতে পারে এবং নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করবে।
চেনি হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস কমিটির শীর্ষ রিপাবলিকান ছিলেন এবং ৬ই জানুয়ারী দাঙ্গার তদন্ত করেছিলেন। এ কারণে তিনি ট্রাম্পের চক্ষুশুল হন এবং দল থেকে নির্বাসিত হন।
চেনি ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফলকে উল্টে দেওয়ার জন্য ট্রাম্পের প্রচেষ্টার দিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন।
"আমাদের প্রজাতন্ত্র এমন একটি হুমকির মুখোমুখি হয়েছে যা আমরা আগে কখনো হইনি"
চেনি বলেন "৬ই জানুয়ারি আমরা যা দেখি,"ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে কোনো সমবেদনা নেই, এক আউন্স পরিমানও নেই। তিনি ক্ষুদ্র, তিনি প্রতিশোধপরায়ণ এবং তিনি নিষ্ঠুর। এবং এই ভাল এবং মহান জাতিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প নেতৃত্ব দেওয়ার উপযুক্ত নন।
চেনি আরো বলেন হ্যারিস ই হবেন প্রেসিডেন্ট, যিনি আইনের শাসন রক্ষা করবেন।

Comments

Popular posts from this blog

ট্রাম্প নির্বাচনে জিতলে লাভ আওয়ামী লীগের !! আওয়ামী লীগ সরকারের  ক্ষমতাচ্যুতির পেছনে বর্তমান মার্কিন প্রশাসন কলকাঠি নেড়েছে বলে এমন অভিযোগ করে আসছে হাসিনা সরকার। যদিও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই অভিযোগটিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তবে বিগত নির্বাচন গুলোতে বর্তমান মার্কিন প্রশাসন বারবার হাসিনাকে সুষ্ঠ নির্বাচন করার তাগিদ দিচ্ছিল। এই কারণে হাসিনার সরকারের সাথে সম্পর্কও খারাপ হয়ে গিয়েছিল বাইডেন প্রশাসনের।  তৎকালীন প্রেক্ষাপটে ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে পালিয়ে ভারত চলে যান শেখ হাসিনা। তারপর থেকে শেখ হাসিনা আর প্রকাশ্যে আসেনি।  এই পরিস্থিতে আওয়ামী লীগ মনে করে যে বাইডেন প্রশাসনের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা কঠিন হবে। তাই দলটি এখন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে যোগাযোগ করছে।  ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ৫ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী। আওয়ামী লীগ ইতিমধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ট একটি লবিস্ট ফার্ম এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।  আওয়ামী লীগ মনে করছে, নির্বাচনে ট্রাম্প বিজয়ী হলে ট্রাম্পের সহযোগি...

গুজব ঠেকাতে হোয়াটসঅ্যাপ এ নতুন ফিচার

 গুজব ঠেকাতে হোয়াটসঅ্যাপ এ নতুন ফিচার  বর্তমান প্রেক্ষাপটে উদ্বেগজনক একটি বিষয় হয়ে উঠেছে গুজব। ফেসবুক, টুইটার  সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে অবলম্বন করে ভুল তথ্যের বিস্তার ঘটান।গুজবের কারণে বিভিন্ন বিষয়ে ভুল-বোঝাবুঝির পাশাপাশি নেতিবাচক ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে।  হোয়াটসঅ্যাপ নিজেদের প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনলাইনে গুজবের বিস্তার ঠেকাতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। ব্যবহারকারীদের জন্য এমন এক সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ, যার মাধ্যমে আদান-প্রদান করা ওয়েবসাইটের লিংক বা সংবাদ সহজেই যাচাই করতে পারবেন তারা। ওয়েবসাইটের লিংকের মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ও গুজব ছড়ানো ঠেকাতে নেওয়া এ উদ্যোগের আওতায় পরিচিত বা অপরিচিত যেকোনো ব্যক্তির পাঠানো ওয়েবসাইটের লিংক বা সংবাদের সত্যতা হোয়াটসঅ্যাপ থেকেই যাচাই করা যাবে। ফলে ভুয়া তথ্য ছড়ানো ব্যক্তিদের সম্পর্কে আগে থেকেই সতর্ক থাকা যাবে। ‘সার্চ অন ওয়েব’ নামের নতুন এ সুবিধা এরই মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপের অ্যান্ড্রয়েড ২.২৪.২০.২৮ বেটা সংস্করণে যুক্ত করা হয়েছে। নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীদের মতামত নিয়ে শিগগিরই সুবিধাটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হতে প...
হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে ইসরাইল কিভাবে হত্যা করেছে? ১৭ ই অক্টোবর  বৃহস্পতিবার, হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার, বয়স ৬২, একদল ইসরায়েলি প্রশিক্ষণার্থী সৈন্যের সাথে লড়াই করতে গিয়ে নিহত হয়েছেন বলে জানা যায়।  শুক্রবার, হামাস বুধবার রাফাহের তাল আস-সুলতানে যুদ্ধে নিযুক্ত থাকাকালীন তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।  সিনওয়ার যুদ্ধে শহীদ হওয়ার ঘটনাটি একজন যোদ্ধা এবং নেতা হিসাবে তার জীবনের গল্পে একটি চূড়ান্ত অধ্যায় যুক্ত করেছে । সিনওয়ার ছিলেন হামাসের নেতা। এই বছরের জুলাইয়ে গাজায় গোষ্ঠীর রাজনৈতিক নেতা, তেহরানে ইসমাইল হানিয়াহ এবং গাজায় সিনিয়র কমান্ডার মোহাম্মদ দেইফের মৃত্যুর পর থেকে তিনি গাজায় হামাসের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। ২০১১ সালে বন্দী বিনিময়ের সময় মুক্তি পাওয়ার আগে তিনি ২২ বছর ইসরায়েলি কারাগারে কাটিয়েছিলেন। বুধবার দুপুর ২টা থেকে ৩টার মধ্যে কোনো এক সময়ে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর বিসলাচ ব্রিগেড ট্রেনিং ইউনিটের একটি টহল দল রাফাহ শহরের তাল আস-সুলতান এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছিল। তারা হামাস যোদ্ধাদের একটি ছোট দলকে বিল্ডিংয়ের মধ্যে চলাচল করতে দেখে, যাদের মধ্য থেকে একজ...