ইয়াহিয়া সিনওয়ার কে ছিলেন?
ইয়াহিয়া ইব্রাহিম হাসান সিনওয়ার, তিনি ছিলেন একজন ফিলিস্তিনি রাজনীতিবিদ ও মিলিট্যান্ট যোদ্ধা। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে গাজা উপত্যকায় হামাস সরকারের নেতা হিসেবে এবং আগস্ট ২০২৪ থেকে তার মৃত্যু পর্যন্ত হামাস পলিটিক্যাল ব্যুরোর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, উভয় ভূমিকায় তিনি ইসমাইল হানিয়াহের মৃত্যুর পর স্থলাভিষিক্ত হন।
ইয়াহিয়া সিনওয়ার ২৯ অক্টোবর ১৯৬২ সালে গাজার দক্ষিণে খান ইউনুস শরণার্থী শিবিরে জন্মগ্রহণ করেন।
সিনওয়ার গাজার ইসলামিক ইউনির্ভাসিটি থেকে আরবি সাহিত্যে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে হামাস গঠনের সময় থেকেই তিনি সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জাদ্দিন আল-কাসসাম ব্রিগেডস-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং এর গোয়েন্দা ও যুদ্ধ সক্ষমতা গড়ে তোলায় বড় ভূমিকা রাখেন।
সিনওয়ার গাজার ইসলামিক ইউনির্ভাসিটি থেকে আরবি সাহিত্যে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে হামাস গঠনের সময় থেকেই তিনি সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জাদ্দিন আল-কাসসাম ব্রিগেডস-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন এবং এর গোয়েন্দা ও যুদ্ধ সক্ষমতা গড়ে তোলায় বড় ভূমিকা রাখেন।
১৯৮৯ সালে, দুই ইসরায়েলি সেনাকে অপহরণ ও হত্যা করার ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে তাকে ইসরায়েল কারাগারে পাঠায়। তিনি ২২ বছর জেলে কাটিয়েছেন। কারাগারে, ইসরায়েলি সৈন্যদের অপহরণের পরিকল্পনা করেছিলেন এবং ইসরায়েলের সাথে সহযোগিতার অভিযোগে সন্দেহভাজন ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সমন্বয় করেছিলেন।
২০১১ সালে, অপহৃত ইসরায়েলি সেনা গিলাদ শালিটের বিনিময়ে ১০২৬ বন্দি বিনিময় চুক্তির মাধ্যমে তিনি মুক্তি পান। মুক্তির পর দ্রুত হামাসের নেতাদের মধ্যে শীর্ষে উঠে আসেন এবং ২০১৭ সালে গাজায় হামাসের নেতা হন।
২০২৪ সালে, তেহরানে ইসমাইল হানিয়েহর হত্যাকাণ্ডের পর, সিনওয়ার হামাসের রাজনৈতিক দপ্তরের প্রধান হিসেবে তার স্থলাভিষিক্ত হন।
বলা হয় যে ৭ অক্টোবর, ২০২৩ সালের ইসরায়েলে হামলার পরিকল্পনা তিনিই করেছিলেন, যা ইসরায়েল-হামাস সংঘাতকে ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে তোলে। তার নেতৃত্বে গোয়েন্দা তথ্যের কৌশলগত ব্যবহার এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনা বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়।
২১ নভেম্বর ২০১১ সালে সিনওয়ার সমর মুহাম্মদ আবু জামারকে বিয়ে করেন, এই দম্পতির তিনটি সন্তান ছিল। তাদের বড় সন্তানের নাম ইব্রাহীম ইয়াহিয়া। সিনওয়ারের স্ত্রী ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব গাজা থেকে ধর্মতত্ত্বে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ইসরায়েলে বন্দী অবস্থায় সিনওয়ার তার স্থানীয় আরবি ছাড়াও হিব্রু ভাষায় কথা বলতেন, হিব্রু ভাষা তিনি কারাবন্দী থাকা অবস্থায় শিখেছিলেন। সিনওয়ার ছিলেন একজন হাফিজ।


Comments
Post a Comment